০২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফয়সাল ও তার সহযোগী ভারতে পালিয়েছে, জানাল ডিএমপি

  • সকাল সংবাদ
  • আপলোড সময় : ০১:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৮০ Time View

ইনিকলাব মঞ্চের মুখপাত্র  শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার একজন সহযোগী ভারতে পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি জানান, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড পূর্ব-পরিকল্পিত। প্রধান অভিযুক্ত ফয়সালসহ আরও একজন ময়মনসিংহ দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পালিয়েছে। এ ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি। এর মধ্যে ছয়জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আগামী ৭-৮ দিনের মধ্যে এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকার বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। জুমার নামাজ শেষে মতিঝিল থেকে প্রচারণা চালিয়ে তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন মোটরসাইকেলে আসা প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ রাহুল দাউদ ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী চলন্ত অবস্থায় হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন হাদি। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মারা যান।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা ও বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। হাদির মৃত্যুর পর মামলার ধারা পরিবর্তন করা হয়। ২০ ডিসেম্বর আদালতের আদেশে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজন করা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফয়সাল ও তার সহযোগী ভারতে পালিয়েছে, জানাল ডিএমপি

আপলোড সময় : ০১:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনিকলাব মঞ্চের মুখপাত্র  শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার একজন সহযোগী ভারতে পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি জানান, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড পূর্ব-পরিকল্পিত। প্রধান অভিযুক্ত ফয়সালসহ আরও একজন ময়মনসিংহ দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পালিয়েছে। এ ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি। এর মধ্যে ছয়জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আগামী ৭-৮ দিনের মধ্যে এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকার বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। জুমার নামাজ শেষে মতিঝিল থেকে প্রচারণা চালিয়ে তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন মোটরসাইকেলে আসা প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ রাহুল দাউদ ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী চলন্ত অবস্থায় হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন হাদি। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মারা যান।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা ও বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। হাদির মৃত্যুর পর মামলার ধারা পরিবর্তন করা হয়। ২০ ডিসেম্বর আদালতের আদেশে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজন করা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন